মাত্র এক মাসেই পুরো কোরআন মুখস্থ করলেন কলেজছাত্রী!

পাকিস্তানের লাহোর প্রদেশের গাজিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা জুয়াইরিয়া। এই মেধাবী কলেজছাত্রী মাত্র ২৯ দিনে কোরআন মুখস্থ করে অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। খবর আন্তর্জাতিক কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা।গাজিয়াবাদ কলেজের এই মেধাবী ছাত্রী অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। দৃঢ় সংকল্প ও ইচ্ছার সুবাদে এক মাসেরও কম সময়ে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।গত মাসে কলেজ ছুটির ফাঁকে তিনি কোরআন মুখস্থ করার উদ্যোগ নেয় এবং অল্প সময়ে নিজের লক্ষে পৌঁছাতে পেরেছেন।মাত্র ২৯ দিনে কোরআন হেফজ করে নিজেকে ধন্য মনে করছেন তিনি। জুয়াইরিয়ার পিতা ছোটখাটো ব্যবসায়ী। তাদের সংসার চলে ভীষণ অর্থকষ্টে। নিজে বেশি পড়ালেখা করতে না পারলেও দুই মেয়েকেই শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে চান বাবা।লাহোরের শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, পাকিস্তানি এই ছাত্রীর কোরআন মুখস্থের রেকর্ডটিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে নথিভুক্ত করার আবেদন জানানো হবে। মেয়ের এমন কীর্তিতে ভীষণ খুশি জুয়াইরিয়ার বাবা।

লালমনিরহাটে মহানবীর (সা.) সময়ে বাংলাদেশে নির্মিত মসজিদ ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর সময়ে লালমনিরহাট জেলায় মসজিদ নির্মাণ হয়েছিল বলে তথ্য রয়েছে। লালমনিরহাট জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের রামদাস গ্রামের ‘মজেদের আড়া’ নামক জঙ্গলে ১৯৮৭ সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল প্রাচীন একটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। ইসলামিক লেখক মতিউর রহমান বসনীয়া রচিত ‘রংপুরে দ্বিনী দাওয়াত’ বইয়ে এ মসজিদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, লালমনিরহাট জেলার এ প্রাচীন মসজিদ ও এর শিলালিপি দেখে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি যে, বখতিয়ার খলজীর বাংলা বিজয়ের (১২০৪ খ্রি.) ৬০০ বছর আগেই বাংলা অঞ্চলে সাহাবি (রা.) দ্বারা ইসলামের আবির্ভাব হয়েছিল। ধারণা করা হয়, মহানবীর (সা.) জন্মগ্রহণের ৫০ বছর পরেই বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। লালমনিরহাট জেলায় আনুমানিক ৬২০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিল। লালমনিরহাটে মসজিদটির যে ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে- এতে কালেমা তায়্যিবা ও ৬৯ হিজরি লেখা রয়েছে।হিজরি ৬৯ অর্থ হলো ৬৯০ খ্রিস্টাব্দ। রংপুর জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায়, রাসূলের (সা.) মামা বিবি আমেনার চাচাতো ভাই আবু ওয়াক্কাস (রা.) ৬২০ থেকে ৬২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেন (পৃ. ১২৬)। অনুমান করা হয় যে, ৬৯০ খ্রিস্টাব্দের মসজিদটি আবু ওয়াক্কাস (রা.) নির্মাণ করেন। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ও প্রাচীন এই মসজিদটির উত্তর-দক্ষিণে ২১ ফুট এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১০ ফুট। মসজিদের ভেতরের পুরুত্ব সাড়ে ৪ ফুট। ইসলাম ডেস্ক:মসজিদে চার কোণে অষ্টকোণবিশিষ্ট স্তম্ভ রয়েছে। মসজিদের ধ্বংসাবশেষ থেকে পাওয়া যায় গম্বুজ ও মিনারের চূড়া (রংপুর জেলার ইতিহাস, পৃ. ১৬৪)। বাংলাদেশে ঐতিহ্যবাহী মসজিদ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আল-জাজিরা সংবাদ প্রকাশ করে।
পাকিস্তানের লাহোর প্রদেশের গাজিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা জুয়াইরিয়া। এই মেধাবী কলেজছাত্রী মাত্র ২৯ দিনে কোরআন মুখস্থ করে অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। খবর আন্তর্জাতিক কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা।গাজিয়াবাদ কলেজের এই মেধাবী ছাত্রী অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। দৃঢ় সংকল্প ও ইচ্ছার সুবাদে এক মাসেরও কম সময়ে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।গত মাসে কলেজ ছুটির ফাঁকে তিনি কোরআন মুখস্থ করার উদ্যোগ নেয় এবং অল্প সময়ে নিজের লক্ষে পৌঁছাতে পেরেছেন।মাত্র ২৯ দিনে কোরআন হেফজ করে নিজেকে ধন্য মনে করছেন তিনি। জুয়াইরিয়ার পিতা ছোটখাটো ব্যবসায়ী। তাদের সংসার চলে ভীষণ অর্থকষ্টে। নিজে বেশি পড়ালেখা করতে না পারলেও দুই মেয়েকেই শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে চান বাবা।লাহোরের শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, পাকিস্তানি এই ছাত্রীর কোরআন মুখস্থের রেকর্ডটিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে নথিভুক্ত করার আবেদন জানানো হবে। মেয়ের এমন কীর্তিতে ভীষণ খুশি জুয়াইরিয়ার বাবা।লালমনিরহাটে মহানবীর (সা.) সময়ে বাংলাদেশে নির্মিত মসজিদ ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর সময়ে লালমনিরহাট জেলায় মসজিদ নির্মাণ হয়েছিল বলে তথ্য রয়েছে। লালমনিরহাট জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের রামদাস গ্রামের ‘মজেদের আড়া’ নামক জঙ্গলে ১৯৮৭ সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল প্রাচীন একটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। ইসলামিক লেখক মতিউর রহমান বসনীয়া রচিত ‘রংপুরে দ্বিনী দাওয়াত’ বইয়ে এ মসজিদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, লালমনিরহাট জেলার এ প্রাচীন মসজিদ ও এর শিলালিপি দেখে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি যে, বখতিয়ার খলজীর বাংলা বিজয়ের (১২০৪ খ্রি.) ৬০০ বছর আগেই বাংলা অঞ্চলে সাহাবি (রা.) দ্বারা ইসলামের আবির্ভাব হয়েছিল। ধারণা করা হয়, মহানবীর (সা.) জন্মগ্রহণের ৫০ বছর পরেই বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। লালমনিরহাট জেলায় আনুমানিক ৬২০ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিল। লালমনিরহাটে মসজিদটির যে ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে- এতে কালেমা তায়্যিবা ও ৬৯ হিজরি লেখা রয়েছে।হিজরি ৬৯ অর্থ হলো ৬৯০ খ্রিস্টাব্দ। রংপুর জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায়, রাসূলের (সা.) মামা বিবি আমেনার চাচাতো ভাই আবু ওয়াক্কাস (রা.) ৬২০ থেকে ৬২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেন (পৃ. ১২৬)। অনুমান করা হয় যে, ৬৯০ খ্রিস্টাব্দের মসজিদটি আবু ওয়াক্কাস (রা.) নির্মাণ করেন। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ও প্রাচীন এই মসজিদটির উত্তর-দক্ষিণে ২১ ফুট এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১০ ফুট। মসজিদের ভেতরের পুরুত্ব সাড়ে ৪ ফুট। ইসলাম ডেস্ক:মসজিদে চার কোণে অষ্টকোণবিশিষ্ট স্তম্ভ রয়েছে। মসজিদের ধ্বংসাবশেষ থেকে পাওয়া যায় গম্বুজ ও মিনারের চূড়া (রংপুর জেলার ইতিহাস, পৃ. ১৬৪)। বাংলাদেশে ঐতিহ্যবাহী মসজিদ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আল-জাজিরা সংবাদ প্রকাশ করে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


825 views