সবচেয়ে বেশি আয় করা মেসিই এখন বিশ্বের সেরা ফুটবলার।

ব্যালন ডি’অরে দুজনের রাজত্ব অদলবদল হয়েছে। লিগ শিরোপা কি চ্যাম্পিয়নস লিগ ট্রফির মতো দলগত অর্জনও। তবে একটা জায়গায় লিওনেল মেসি সব সময়ই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পেছনে হেঁটেছেন। সবচেয়ে বেশি আয় করা ফুটবলার হিসেবে কখনো এক নম্বরে আসা হয়নি তাঁর। এমনকি রোনালদোর চেয়ে বেশি বেতন পেয়েও পিছিয়ে ছিলেন। অবশেষে এ জায়গায় রোনালদোকে টপকে গেলেন মেসি। ফ্রান্স ফুটবল সাময়িকীর মতে, মেসিই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা ফুটবলার।বেতনই ফুটবলারদের একমাত্র আয় নয়। তাঁদের আয়ের বড় অংশ আসে বিভিন্ন পণ্যের দূতিয়ালি করে। এই মৌসুমে বেতন, বোনাস ও বিজ্ঞাপন বাবদে মেসির আয় হয়েছে ১২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো। রোনালদো আয় করেছেন ৯ কোটি ৪০ লাখ ইউরো। গত মৌসুমেও রোনালদো এগিয়ে ছিলেন। সেবার তাঁর মোট আয় ছিল ৮ কোটি ৭৫ লাখ ইউরো। মেসির আয় ছিল ৭ কোটি ৬৫ লাখ।এক হিসাবে মেসি প্রতি মিনিটে আয় করেছেন ২৫ হাজার ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যেটি ২৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। এই মৌসুমে লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগ, স্প্যানিশ কাপ, সুপার কাপ ও জাতীয় দলের হয়ে মেসি যত মিনিট খেলেছেন, বার্সেলোনার মৌসুমের বাকি ৫ ম্যাচে সম্ভাব্য যত মিনিট খেলবেন তা হিসাব করে এটি বের করা হয়েছে। মেসি কত মিনিট খেলেছেন আর কত আয় করেছেন।এর পর আছেন নেইমার। ব্রাজিল তারকার উত্থানের ছাপ আছে তাঁর আয়ে। এ মৌসুমে ৮ কোটি ১৫ লাখ ইউরো আয় করেছেন এই ব্রাজিল তারকা। নেইমার তবু মেসি-রোনালদোদের ধারেকাছেই আছেন। কিন্তু বাকিরা? চারে থাকা গ্যারেথ বেলের এই মৌসুমে আয় ৪ কোটি ৪০ লাখ। রক্ষণভাগে থেকেও জেরার্ড পিকে আছে সেরা পাঁচে। ২ কোটি ৯০ লাখ ইউরো আয় করেছেন তিনি।

কোচদের মধ্যে সবার ওপরে থাকা নামটি অবশ্য বিস্ময় জাগাবে না। তিনি আয় করেছেন ২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো। খেলোয়াড়দের থেকে কোচরা কত কম আয় করেন, এর থেকে বোঝা যায়। মার্সেলো লিপ্পি চীনে গিয়ে কাজ করার সুবাদে এই বুড়ো বয়সেও ২ কোটি ৩০ লাখ ইউরো আয় করছেন। মজার ব্যাপার হলো, স্পেনে সবচেয়ে বেশি আয় করা কোচ বার্সেলোনা বা রিয়াল মাদ্রিদের কেউ নন; অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ডিয়েগো সিমিওনে। জিনেদিন জিদান অবশ্য খুব বেশি পেছনে নেই। ২ কোটি ১০ লাখ ইউরো আয় করেছেন। ম্যানচেস্টার সিটির ভার নেওয়া পেপ গার্দিওলা এ মৌসুমে আয় করেছেন ২ কোটি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


38 views